চে,
অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র থাকাকালে
‘ছোটদের রাজনীতি’ পড়তে পড়তেই
আমি জেনেছি তোমার নাম!
আদৌ তোমার কোনো জন্মদিন
ছিল কী না –
তা,না ভেবেই আমি হিসেব করেছি
সূর্যের বয়স! এই পৃথিবীতে
অনেকগুলো সূর্য আছে;
অনেকগুলো বিপ্লব ভ্রমণ করে
বহুবিদ মেহনতী মানুষের পাঁজর-
তা জানতে জানতেই আমি লিখেছি-
চাঁদের গায়ে প্রিয় বিপ্লবীদের নাম।
চে,
৩৯ বছর সময় কোনো জীবনের
জন্যেই যথেষ্ট নয়!
কোনো বিপ্লবী বৃক্ষই এই সময়ে
মৃত্তিকায় গাড়তে পারে না শিকড়
কোনো নক্ষত্রই স্থির থাকতে
পারে না, পৃথিবী নামক গ্রহে !
তারপরও সমুদ্র লিখে রাখে
নিজের জন্মইতিহাস, যে আগুন
পোড়ানো ভুলে গিয়েছিল,
সেও যাপন করে অনন্ত জন্মঋতু।
চে,
বিপ্লব মানেই তোমার জন্মদিন!
যারা তত্ত্বকথা লিখে,
আর যারা প্রাণের বিনিময়ে আঁকে
বিপ্লব,তাদের মাঝ বড়দাগের পার্থক্য
থেকে যায়। কেউ মৃত্যু নিয়ে খেলা
করে, আর কেউ বরণ করে মৃত্যু!
চে,
তোমার জন্মদিন এলেই আমি
আরও কয়েকটি বৃক্ষ রোপণ করি,
আরও কয়েকটি পাখিকে মুক্ত করে দিই-
ওরা বেড়ে উঠুক।
ওরা উড়ে যাক।
যতদূর যাওয়া যায়-
যতদূর প্রাণে প্রাণে বেঁচে থাকে
দ্রোহ, ধ্বনি ও দৃষ্টি –
প্রজন্মের জন্যে আরেকটি
আকাশের বজ্রআঁকা সেতু।
# ১৪ জুন ছিল চে গুয়েভারা-র জন্মদিন